Calendar
June 2020
M T W T F S S
« May    
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930  
Sponsored by

JAFAR AHMED FAROOQUE
Organising Secretary
Central Committee

বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার সাংগঠনিক কার্যক্রমের পদ্ধতি

বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা প্রতিষ্ঠার পর থেকে কেন্দ্র থেকে শাখা পর্যায়ের কর্মীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। ফলে সারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই সংগঠনের শাখা গঠিত হয়েছে। কাজ করছে শিশুদের কল্যাণে, শিশুদের প্রতিভা বিকাশে, শিশুদের সাংস্কৃতিক মান উন্নয়নে। সর্বোপরি এদেশের শিশু কিশোরদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করতে এবং বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার প্রতিটি কর্মী প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।আজ আমরা দাবী করতে পারি এই সংগঠন বঙ্গবন্ধুর আদর্শবাদী সৃষ্টিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। দাবী করতে পারি নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে অনন্য ভূমিকা রাখছে এই সংগঠন। যে পদ্ধতিতে আমরা কাজ করি, যদি বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামে এই সংগঠনের পরিবার বিস্তৃত করা যায়, তাহলে একদিন প্রতিটি ঘরে ঘরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক তৈরী হবে। মুক্তিযুদ্ধেরও সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে নতুন প্রজন্ম। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষে কাজ করতে যে কেউ এই সংগঠনের শাখা গঠন করে আমাদের সহযোগী হতে পারেন। মেলার গঠনতন্ত্রের ১৭ ধারাতে নির্দেশ রয়েছে প্রতিটি শাখাকে বছরে ২৪ টি সভা করতে হবে। মাসে দুটি করে। ১ টি সভা হবে শাখার কর্মকর্তাদের নিয়ে। অপরটি হবে শাখার কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এলাকার স্কুল পড়ুয়া ভাই বোনদের কোন অনুষ্ঠান বা প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে।

এখন আপনার প্রশ্ন জাগছে, এভাবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শবাদী ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের প্রতিনিধি কিভাবে সৃষ্টি হবে ?

হ্যাঁ এভাবেই সম্ভব। অনুষ্ঠানে রীতিমত অংশগ্রহণকারী ভাই বোনদের শিশু কিশোর উপযোগী বই পড়তে দিন অথবা যে বইগুলো পুরস্কার দেবেন ঐ বইগুলো ইতিহাস সমৃদ্ধ হলেও চলে। তাহলে এই শিশু কিশোরেরা একদিন আমাদের স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে।

প্রত্যেক মাসে এত শিশু কিশোর কোথায় পাবেন ভাবছেন ?

এবার শুনুন। আপনাদের শাখার কর্মকর্তা সংখ্যা ২০ জন মনে করুন। আপনারা প্রতিমাসের যে কোন একটি শুক্রবার বেছে নিন। প্রতিজন কর্মী ২ জন করে শিশু কিশোর নিয়ে আসবেন ঐ অনুষ্ঠানে। বলুন তো ঐ অনুষ্ঠানে উপস্থিতি সংখ্যা কত হবে ? ২০ জন কর্মকর্তা ৪০ জন শিশু কিশোর মিলে ৬০ জনের একটি অনুষ্ঠান অনেক বড় হবে বলে আমরা মনে করি। পরবর্তী পর্যায়ে আপনাকে আর কষ্ট করতে হবে না। শিশু কিশোরদের মাধ্যমে শিশু কিশোর বৃদ্ধি পেতে থাকবে। ৪০ জন শিশু কিশোর থেকে যদি আপনারা ২০ জন কর্মকর্তা মিলে বছরে ১২টি শিশু কিশোরকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করতে পারেন, তা হলে ভেবে দেখুন তো প্রতি বছর কত জন সুনাগরিক ও আদর্শবাদী কর্মী সৃষ্টি হবে ? যদি ৬৮ হাজার গ্রামে আমাদের মেলার পরিবার সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারি, তাহলে আমাদের স্বাধীনতা আরো অর্থবহ হবে।

আপনি ভাবছেন প্রতি মাসে এ ধরণের একটি অনুষ্ঠানে অনেক টাকা খরচ হবে। কোথায় এত টাকা পাবেন ?

না, আপনার এ সমস্যা কোন সমস্যাই নয়। খুব অল্প খরচে এ অনুষ্ঠান করা যেতে পারে। লোক দেখানো কোন অনুষ্ঠান করার প্রয়োজন নেই। মুক্তিযুদ্ধের পর আমরা অনেক বড় বড় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করেছি। কিন্তু স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার লক্ষ্যে আমরা আজো নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারিনি। এর কারণ আমরা পরিকল্পনা করে শিশু কিশোরদের শিক্ষা দেই না। আমরা যেহেতু প্রতি মাসে কার্যক্রম হাতে নিয়ে থাকি সুতরাং জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠান গুলোতেও ঘটা করে কিছু করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। তাতে আর্থিক ক্ষতি হয়। যারা নামে মাত্র সংগঠন করে তারা জাতীয় দিবসগুলোতে বিপুল অর্থের বাজেট নিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আর এই বিপুল অর্থ সংগ্রহের জন্য চাঁদা সংগ্রহের আশ্রয় নিতে হয়। গঠনতন্ত্রের ধারা মোতাবেক আমাদের more>> মিয়া মনসফ

ইতিহাসের সন্ধানে
  • ইতিহাসের সন্ধানে-মিয়া মনসফ

    ইতিহাসের সন্ধানে ২০ আগষ্ট ২০০৪। ধানমিন্ডর বত্রিশ নম্বরে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা আয়োজন করে ‘জনক আমার… Read more…

Recent Post