Bangabandhu Shishu Kishore Mela

বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা গোপালগঞ্জ জেলার সহযোগিতায় প্রথমবারের মতো টুঙ্গিপাড়ায় জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন সম্ভব হয়েছে।
——————————————
বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা গোপালগঞ্জ জেলা কমিটি গঠন হয় ২০০২ সালে। ২০০১ সালের অক্টোবর নির্বাচনের পর সারাদেশে শাখা করার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জ জেলায় জেলা কমিটি গঠন করার উদ্যোগ নেয়া হয়। জেলা আওয়ামী লীগের সহযোগিতায় জেলা কমিটি গঠন হয়।
২০০৩ সালে ধানমন্ডির বত্রিশ নম্বর প্রাঙ্গনে যে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়, সেই কর্মশালায় গোপালগঞ্জ জেলা থেকে ৫ জন প্রতিনিধি অংশ নিয়েছিল।বেশ ক’বছর কেন্দ্রীয় নির্দেশে কাজ করলেও তারা ধারাবাহিকতা রক্ষা করা পারেনি।ফলে দীর্ঘ দিন সাংগঠনিকভাবে নিষ্ক্রিয় ছিল গোপালগঞ্জ জেলা কমিটি।
দীর্ঘ্ দিন পর সেই নিষ্ক্রিয়তা কেটেছে। প্রায় ৩ বছর আগে গোপালগঞ্জ জেলার দায়িত্ব নেন সভাপতি গাজী নূর আলম ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান হাসান।তাদের দায়িত্ব গ্রহনের পর গোপালগঞ্জের সাংগঠনিক চেহারাই পাল্টে যায়। তবে কমিটি গঠনে এই কৃতিত্ব দিতে হয় টুঙ্গিপাড়ার শাখার সভাপতি আজিজুল ইসলামকে। টুঙ্গিপাড়া শাখার সভাপতিকে দায়িত্ব দেয়া হয়। দু’জন দায়্ত্বিশীল ব্যক্তিকে খুঁজে দিতে। যারা বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার গোপালগঞ্জের হাল ধরবেন শক্তভাবে। তিনি শতভাগ সফল হয়েছেন। কেননা উপযুক্ত ব্যক্তি ছাড়া সাংগঠনিক কাজে কারো উপর ভরসা করা যায়না। গোপালগঞ্জ জেলার সভাপতি সাধারন সম্পাদক তাদের দায়িত্ব পালনে শতভাগ সফল।
গোপালগঞ্জ জেলা দায়িত্ব পালনে কতটুকু দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবেন তা দায়িত্ব পেলেই প্রমাণ পাওয়া যায়।
আমি গত বছর গোপালগঞ্জ গিয়েছিলাম সেপ্টেম্বরে বঙ্গবন্ধুকন্যার জন্মদিনে টুঙ্গিপাড়ায় জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে।গোপালগঞ্জ ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলা শাখার সাথে যৌথ সভায় মিটিং করেছি টুঙ্গিপাড়ায়। ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠান আয়োজনে সর্বাত্মক সহযোগিতা চাইলাম গোপালগঞ্জ ও টুঙ্গিপাড়া শাখার নেতৃবৃন্দের কাছে। তারা সবাই সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন। গোপালগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান আমাকে আশ্বাস দিয়ে বললেন, এতো বড় অনুষ্ঠান আয়োজন আমাদের জন্য মর্যাদার। তিনি নিজ থেকে আর্থিক সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়ে বলেন, অনুষ্ঠান সর্বাত্মকভাবে সফল করতে আরো কি করতে হবে আমাদের জানাবেন।তার সাহস ও আন্তরিকতায় আমি আরো সাহসী হলাম টুঙ্গিপাড়ায় অনুষ্ঠান করতে।
গত বছর ২৮ সেপ্টেম্বর জাতির পিতার সমাধি কমপ্লেক্স প্রাঙ্গনে প্রথমবারের মতো জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান করতে পেরেছিলাম গোপালগঞ্জ জেলার সহযোগিতায়।সেই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি।
আজকের এই শুভলগ্নে গোপালগঞ্জ জেলার সকল নেতৃবৃন্দকে জানাই বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার ৩ দশক পূর্তিতে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।



New Microsoft Word Document

Leave a Comment

Your email address will not be published.